অপরাধীই যদি তদন্তকারী হয়, ন্যায়বিচার হবে কীভাবে: তাজুল ইসলাম
প্রস্তাবিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ও গুমসংক্রান্ত আইনের খসড়ার প্রসঙ্গ তুলে তাজুল ইসলাম বলেন, আইনগুলোতে তদন্তের ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট বাহিনীর হাতে দেওয়ার মাধ্যমে ভুক্তভোগী ও বাহিনীর কর্মকর্তা—উভয় পক্ষকেই ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে।
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘নো ম্যান শ্যাল বি আ জাজ ইন হিজ ওন কজ।’ অর্থাৎ কেউ নিজের মামলার বিচারক হতে পারেন না।
গুমসংক্রান্ত আইনটি তৈরির ক্ষেত্রে গুম কমিশন, ভুক্তভোগী, তাঁদের পরিবার, নাগরিক সমাজসহ সংশ্লিষ্টদের মতামত নেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, আইনটি নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছিল, সংশোধন করা হয়েছিল। ১৭–১৮টি অধিবেশনে পর্যালোচনা করে আইনটি তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু পরে সেটি ‘ল্যাপস’ করিয়ে নতুন আইনে তদন্তের দায়িত্ব বাহিনীর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
তাজুল ইসলাম প্রশ্ন তোলেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারাই কীভাবে সেই অভিযোগের তদন্ত করবে?
তাজুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে আইনে কারাদণ্ডের ঝুঁকি আছে। এতে এমনিতেই ‘ট্রমার’ মধ্যে থাকা পরিবারগুলো অভিযোগ করতে আরও ভয় পাবে।
