এক নাগরিক, এক কার্ডের লক্ষ্যেই এগোচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা


রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, সরকারের লক্ষ্য, একটি গণতান্ত্রিক মানবকল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। সে লক্ষ্যেই ধাপে ধাপে পুনরুদ্ধার, পুনর্গঠন ও সংস্কারের মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমানে আর্থিক চাপের মধ্যেও ৪১ লাখ পরিবারের জন্য ১৪ হাজার কোটি টাকার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। কারণ, এটিকে ব্যয় নয়, মানবসম্পদে বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাঁর কথায়, ‘মানুষের ভোগক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করাই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য।’

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘এক নাগরিক, এক কার্ড’ ধারণা বাস্তবায়নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্যভান্ডারকে একীভূত করা নয়; বরং তাদের মধ্যে তথ্য আদান–প্রদানের সক্ষমতা নিশ্চিত করা। কর্মসংস্থান, স্থানীয় সরকার, রাজস্বসহ বিভিন্ন সংস্থা নিজ নিজ তথ্যভান্ডার সংরক্ষণ করবে, তবে সেগুলোর মধ্যে নির্ভুল ও কার্যকর তথ্য বিনিময়ের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

সুবিধাভোগী নির্বাচনকে আরও নির্ভুল করতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সহায়তায় হালনাগাদ দারিদ্র্য নির্ধারণ পদ্ধতি এবং স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত যাচাই–বাছাই ব্যবস্থার ওপর বৈঠকে জোর দেন উপদেষ্টা তিতুমীর।

দেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার পরবর্তী ধাপে পরিবারভিত্তিক সহায়তার পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি, মৌসুমি অভিঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব–সংক্রান্ত সহায়তাকেও একই কাঠামোর আওতায় আনতে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। এ জন্য পরবর্তী বাজেট থেকেই কীভাবে একটি দক্ষ ও সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়ে গবেষণাপ্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ ও নীতিনির্ধারকদের কাছ থেকে সুস্পষ্ট প্রস্তাব আহ্বান করেন তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *