‘কাবিননামা’-তে ইয়াশ-তটিনী
‘কাবিননামা’-তে ইয়াশ-তটিনী
ছোট পর্দায় ইয়াশ রোহান ও তানজিম সাইয়ারা তটিনী জুটি মানেই দর্শকের বাড়তি আগ্রহ। একের পর এক নাটকে একসঙ্গে অভিনয় করে ইতোমধ্যে নিজেদের আলাদা দর্শক তৈরি করেছেন তারা। তবে বেশ কিছুদিন ধরে নতুন কোনো নাটকে একসঙ্গে দেখা যায়নি জনপ্রিয় এই জুটিকে।
বিনোদন
বিনোদন ডেস্ক
ছোট পর্দায় ইয়াশ রোহান ও তানজিম সাইয়ারা তটিনী জুটি মানেই দর্শকের বাড়তি আগ্রহ। একের পর এক নাটকে একসঙ্গে অভিনয় করে ইতোমধ্যে নিজেদের আলাদা দর্শক তৈরি করেছেন তারা। তবে বেশ কিছুদিন ধরে নতুন কোনো নাটকে একসঙ্গে দেখা যায়নি জনপ্রিয় এই জুটিকে।
সর্বশেষ ‘ভালোবাসার গল্প’ নাটকে একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন ইয়াশ ও তটিনী। এরপর দীর্ঘ বিরতির পর আবারও তাদের জুটি ফিরছে পর্দায়। দর্শকের আগ্রহের কথা মাথায় রেখে নির্মাতা ইমরাউল রাফাত নির্মাণ করেছেন একক নাটক ‘কাবিননামা’।
এর আগে ইমরাউল রাফাতের ‘ভালো থেকো’ নাটকে একসঙ্গে কাজ করে প্রশংসিত হয়েছিলেন ইয়াশ-তটিনী। এবার একই নির্মাতার পরিচালনায় নতুন গল্পে ফের জুটি বেঁধেছেন তারা। নাটকটিতে তাদের সঙ্গে অভিনয় করেছেন বরেণ্য অভিনেতা আজিজুল হাকিম, এস এইচ মামুনসহ আরও অনেকে।
‘কাবিননামা’র গল্প ও চিত্রনাট্যও লিখেছেন ইমরাউল রাফাত। রোমান্টিক ঘরানার গল্পের নাটকটিতে ইয়াশ ও তটিনীর চরিত্রকে ঘিরেই এগিয়েছে মূল কাহিনি।
নতুন করে তটিনীর সঙ্গে জুটি বাঁধা প্রসঙ্গে ইয়াশ রোহান বলেন, দর্শকের পছন্দ-অপছন্দের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সাধারণত নির্মাতারা জুটি নির্বাচন করেন। কয়েকটি নাটকে একসঙ্গে কাজ করার পর তাদের নিয়ে দর্শকের আগ্রহ তৈরি হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে কাজের সুযোগ এসেছে এবং দর্শকও তাদের জুটিকে গ্রহণ করেছেন। তাই দর্শকের ভালো লাগাকে গুরুত্ব দিয়েই তারা কাজ করে যেতে চান।
একই বিষয়ে তটিনীও বলেন, ‘কাবিননামা’র গল্পে দর্শক নিজেদের বাস্তব জীবনের নানা পরিচিত ঘটনা ও মানুষের ছায়া খুঁজে পাবেন। চরিত্রগুলোও অনেকের কাছে আপন মনে হবে। গল্পের প্রতিটি ঘটনা দর্শকের মনে দাগ কাটবে বলেই তাঁর বিশ্বাস।
নির্মাতা ও প্রযোজক জানিয়েছেন, শিগগিরই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ক্যাপিটাল ড্রামার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে ‘কাবিননামা’।
বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
_atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();

