নিতাইগঞ্জে একে একে নিভিছে দেউটি


বন্ধ ১২টি আটার মিল

নিতাইগঞ্জের আটা, ময়দার মিলের ব্যবসার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬০–এর দশকে এই এলাকায় গম থেকে আটা উৎপাদন শুরু হয়। পরে ১৯৬৫ সালের দিকে নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হয়। ২০০০ সালের পর শুরু হয় স্বয়ংক্রিয় মেশিনের ব্যবহার। জেলার আটা-ময়দা মিল মালিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, নিতাইগঞ্জের বি কে রোড ও কাচারি গলির এক কিলোমিটারের মধ্যে আটা, ময়দার ৭২টি মিল রয়েছে। এর মধ্যে ১২টি মিল বর্তমানে বন্ধ। আর যেসব মিল চালু রয়েছে, সেগুলোতে ৫ থেকে ৭ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। যদিও আগে শ্রমিকের সংখ্যা আরও বেশি ছিল।

মিলমালিকেরা জানান, একসময় নিতাইগঞ্জ থেকে প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ টন আটা-ময়দা দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হতো। এখন তা কমে ১০০ থেকে ১৫০ টনে দাঁড়িয়েছে।

নিতাইগঞ্জের মীম শরৎ গ্রুপের আটটি ফ্লাওয়ার মিল রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক ফিরোজ আলম প্রথম আলোকে বলেন, পাঁচ বছর আগেও নিতাইগঞ্জে ভালো ব্যবসা ছিল। এখন বড় বড় প্রতিষ্ঠান প্যাকেটজাত পণ্য উৎপাদন করে সরাসরি দোকানে পৌঁছে দিচ্ছে। এতে নিতাইগঞ্জের ব্যবসা অনেকাংশে কমে গেছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার মিল মালিক সমিতির সভাপতি সোহাগ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে নিতাইগঞ্জের আটা-ময়দার ছোট ও মাঝারি মিলগুলো অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। সরকারের সহায়ক নীতি সহায়তা না পেলে আরও মিল বন্ধ হয়ে যেতে পারে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *