সাবেক ছাত্রদল নেতাকে মারধর করা ইউএনওকে বদলি
ময়মনসিংহের ত্রিশালে বালুরঘাটে সারোয়ার জাহান ওরফে বাচ্চু নামে ছাত্রদলের সাবেক এক নেতাকে মারধর করা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী বদলি করা হয়েছে। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ড. গোলাম মোরশেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
আরো পড়ুন: সাবেক ছাত্রদল নেতাকে মারধর, ইউএনওর দুঃখ প্রকাশ
এদিকে, বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মো. মাহবুবুর রহমান লিটনের মধ্যস্থতায় মাধরের ঘটনায় ইউএনও তার ভুল স্বীকার করে ‘সরি’ বলেন। এদিন বিকেলে ত্রিশাল পৌর শহরের টিএমসি হাসপাতালে ডা. মো. মাহবুবুর রহমান লিটনের উপস্থিতিতে বিষয়টি সুরাহা করা হয়। এতে ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকীসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
গত বুধবার বেলা ২টার দিকে উপজেলার কাঁঠাল ইউনিয়নের কালীরবাজারের কুলুরবাড়ি এলাকায় ছাত্রদল নেতাকে মারধর করার ঘটনা ঘটে। ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজ দেখা যায়, ত্রিশালের ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকীর সঙ্গে আনসার ও র্যাবের সদস্যরা বালু বিক্রির পয়েন্টে যান। সেখানে ইউএনও ইজারারের কাগজপত্র দেখতে চান। এ সময় সেখানে থাকা ঠিকাদারের ব্যবস্থাপক ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি সারোয়ার জাহান ওরফে বাচ্চু অভিযানে আসা ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চান। তখন আরাফাত সিদ্দিকী তাকে নিজের পরিচয় দিয়ে বলেন, তিনি ত্রিশালের ইউএনও এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন।
আরো পড়ুন: বালুমহালে সাবেক ছাত্রদল নেতাকে পেটালেন ইউএনও, ভিডিও ভাইরাল
কথাবার্তার একপর্যায়ে ইউএনও সারোয়ার জাহানকে পরপর দুটি থাপ্পড় মারানে। তখন র্যাবের এক সদস্য সারোয়াকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ইউএনও ওই সদস্যের হাত থেকে একটি লাঠি নিয়ে তাঁকে আঘাত করেন। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহবুবুর রহমান ইউএনওকে থামানোর চেষ্টা করেন।
