কর্মদক্ষতা অর্জনে ইসলামের ৮ নির্দেশনা


শুধু সৎ হলেই সব কাজের উপযুক্ত হওয়া যায় না, আবার অসাধারণ পারদর্শিতা থাকলেও বিশ্বাসযোগ্যতা না থাকলে সেই যোগ্যতা মানুষের জন্য বিপদের কারণ হতে পারে। ইসলাম এই দুই গুণকে একসূত্রে বেঁধে দিয়েছে।

মুসা (আ.) সম্পর্কে এক নারী বলেছিলেন, ‘আপনি যাকে কর্মে নিয়োগ দেবেন, তাঁর মধ্যে সর্বোত্তম সেই, যে শক্তিশালী ও বিশ্বস্ত।’ (সুরা কাসাস, আয়াত: ২৬)

বিশ্বস্ততার এই দাবি প্রতারণামুক্ত আচরণেও প্রতিফলিত হতে হয়। প্রতারণা কিংবা দায়িত্বে ফাঁকি দিয়ে অর্জিত সাফল্য ইসলামের দৃষ্টিতে মর্যাদাপূর্ণ নয়। নবীজি (সা.) বলেন, ‘যে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১০১)

অর্থাৎ কাজের জন্য যেমন প্রয়োজন যথাযথ যোগ্যতা, তেমনি অপরিহার্য বিশ্বস্ততা ও সততা। এ তিনটি মিলেই গড়ে ওঠে প্রকৃত কর্মদক্ষতা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *